সচিবালয়ে সরকারি অফিসগুলোতে এখনও আওয়ামী লীগপন্থী ও শেখ হাসিনা-সমর্থক কর্মকর্তাদের প্রভাবশালী উপস্থিতি রয়েছে। দলীয় মনোভাব, পছন্দের পদায়ন, এবং রাজনৈতিক সংযোগের মাধ্যমে তারা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে বহাল রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

\r\n

সম্প্রতি সচিবালয়ের একাধিক ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নামানো নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগের ক্ষমতা হারানোর পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দলীয় প্রতীক ও পোস্টার অপসারণে অনীহা প্রকাশ করেছেন। এতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

\r\n

কিছু সচিব ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পূর্বে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচার করেছেন। আবার অনেকেই দলীয় সভা ও মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিতর্কিত হয়েছেন। জানা গেছে, এদের মধ্যে অনেকে ক্ষমতা হারানোর পরও প্রভাবশালী অবস্থানে থেকে পদায়ন, বদলি এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের দায়িত্ব পাচ্ছেন।

\r\n

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কিছু অফিসে নীতি-নির্ধারণী কাজে এখনও দলীয় বিবেচনা চলছে। এমনকি বড় বাজেটের প্রকল্প অনুমোদন ও বরাদ্দেও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা বিবেচনা করা হচ্ছে।

\r\n

প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি অফিসগুলোকে নিরপেক্ষ রাখা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা জরুরি, নইলে প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়বে।